এসইও (SEO) কি ? এসইও করার উপায় [এখানে দেখুন]

 

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন বন্ধুরা, আজ আমি আপনাদের মাঝে একটি নতুন পোষ্ট নিয়ে উপস্থিত হলাম। 

উক্ত পোষ্ট এর হেডলাইন দেখেই বুঝতে পারছেন আজকের পোষ্টে আমি এসইও নিয়ে আলোচনা করবো। তবে চলুন শুরু করা যাক। 

এখানে দেখুনঃ মোবাইলে অনলাইন আয় 

আমার পোষ্টটি দয়া করে একটু সময় নিয়ে পড়বেন। আশা করি আপনার ওয়েবসাইটের বা ব্লগের জন্য কাজে লাগবে। 

এসইও পোষ্ট পছন্দ হলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।

বর্তমান সময়ে প্রায় আমরা সকলেই ব্লগিং বা ওয়েবসাইট সম্পর্কে কিছু না কিছু ধারণা রাখি এবং প্রায় সবার কম বেশি একটি বা দুটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট রয়েছে। 

যারা প্রতিনিয়ত অনলাইন এ নিয়মিত কাজ করেন তারা এস ই ও (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) মানে হয়তো জানেন। 

কিন্তু যারা এ বিষয়ে নতুন তাদের এ সম্পর্কে ধারনা অনেক কম হওয়াই স্বাভাবিক তাই নতুন বা পুরাতন সবাই নিজের ওয়েবসাইট প্রস্তুত করার জন্য এসইও করেন তাদের এ বিষয়ে সঠিক ধারণা থাকা আবশ্যক। প্রথমে যে বিষয় টি জানতে হবে তা হলো…


সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন SEO কি ?

আমরা প্রতিদিন ইন্টারনেট এ অনেক বিষয় জানার জন্য গুগল এ সার্চ করে থাকি যেমন : স্কুল, কলেজ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজাল্ট, রুটিন, ফরম ফিলাপ, ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, চাকরির খবর, বিনোদন ভিডিও ইত্যাদি। 
তখন গুগল অনেক গুলো ফলাফল দেখাই যেমন একি বিষয়ে অনেক লোক পোষ্ট করে থাকে অনেক ওয়েবসাইট চলে আসে। 
আমরা সাধারণত প্রথম পেজে যে ওয়েবসাইট গুলো থাকে সে গুলো ভিজিট করে থাকি। কিন্তু গুগল এ আরো অনেক ওয়েবসাইট দেখাই এবং প্রতিদিন আরো হাজারো নতুন ওয়েবসাইট সৃষ্টি হচ্ছে। 
এ ক্ষেত্রে আমরা কোন ওয়েবসাইট বেছে নেব? সার্চ ইঞ্জিন গুলোর ওয়েবসাইটের তথ্য বহুল যে গুলো সে গুলোকে ১ম পেজে স্থান প্রদান করে।
এই সুযোগ সুবিধা গুলো পাওয়ার জন্য ওয়েবসাইটটি বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করার ফলে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথমে আনা সম্ভব। এর ফলে হাজার হাজার ভিজিটর পাওয়া যায়। 
সার্চ ইঞ্জিনে একটি সাইটকে অন্তরর্ভূক্ত করে সারা বিশ্বে ব্যবহারকারীদের সামনে নিজের ওয়েবসাইটকে পরিচিত করার পদ্ধতিকে এসইও সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলে। 
গুগল বা ইমেইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করেই কোন ওয়েবসাইট কে প্রথম পাতায় নিয়ে আশা সম্ভব নয়। 
এজন্য এসইও সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা ও নিয়ম জানতে হবে।

এসইও (SEO) কত প্রকার ও কি কি ? 

এসইও দুই প্রকার যথা : ১। অন পেজ অপটিমাইজেশন ২। অফ পেজ অপটিমাইজেশন


অন পেজ অপটিমাইজেশন

অন পেজ অপটিমাইজেশন হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটকে সহজেই সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় নিয়ে আশার মাধ্যম।
এর জন্য অবশ্যই ওয়েবসাইট পেজ ডিজাইন এবং উন্নতির উপর কিছু ধারণা থাকতে হবে। 
এইচটিএমএল কোড, মেটাট্যাগ, আর্টিকেল ইত্যাদির সাহায্যে একটি ওয়েবসাইটকে সহজেই সার্চ ইঞ্জিন করে তোলা যায়। 
যে ওয়েবসাইট এর পোষ্ট যত ভালো মানের হবে সেটি সার্চ করতে গেলে প্রথম পেজে জায়গায় স্থাপন করবে।

অফ পেজ অপটিমাইজেশন


অন পেজ এর পাশা পাশি একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের ভালো অবস্থানে ধরে  রাখতে গেলে অবশ্যই অফ পেজ অপটিমাইজেন করতে হবে। 
অন পেজ এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন থেকে যে সকল সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করতে পারা যায় না অফ পেজের মাধ্যমে অনেকাংশে সফলতা অর্জন করা সম্ভব। 
কেননা অনলাইন অপটিমাইজেশনে অনেক প্রতিযোগী। তবে যদি কেউ এটি কে পরিপূর্ণ ভাবে কাজে লাগাতে সক্ষম হয় তবে অবশ্যই সফলতা হবে। 
এই পদ্ধতিতে  অকে ভিজিটর পাওয়া সম্ভব এবং এর ফলে ওয়েবসাইট এর অবস্থান ও ভালো থকবে। 
আর্টিকেল লিখা, ব্যাক লিংক তৈরি করা ইত্যাদি কে অফ পেজ  অপটিমাইজেশন বলা হয়।

আপনার ওয়েবসাইটে কেন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ নিয়ে কাজ করবেন? 


আপনি এসইও না করলে আপনার ওয়েবসাইট সম্পর্কে ভিজিটর কিছু জানতে পারবেনা। 
আর ভিজিটর ছাড়া কোন ওয়েবসাইট চালানো যায় না। ভিজিটর হলো ওয়েবসাইটের প্রান। এসইও না করলে লাভ কি এতো কষ্ট করে ওয়েবসাইট তৈরি  করে।

কি-ওয়ার্ড (Keyword) কি ?

কি-ওয়ার্ড হলো আমরা যখন Google বা অন্যান্য সার্চ  ইঞ্জিন এ বিভিন্ন ওয়ার্ড বা লাইন লিখে সার্চ দেই  যেমন চাকরির খবর, রেজাল্ট ইত্যাদি। এই প্রতিটি লাইন বা শব্দ হলো কি-ওয়ার্ড।

কি-ওয়ার্ড এর কাজ?

মনে করেন আপনার একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ আছে চাকরির খবর নিয়ে। 

তাহলে এখন ভিজিটর এই ওয়েবসাইট এ যেতে অবশ্যই লিখবে না খেলার খবর তারা লেখবে চাকরির খবর বা সরকারী চাকরির খবর ইত্যাদি।

এই রকম হাজারো ওয়েবসাইট আছে চাকরির খবর এর মতো। 

তাই এই কি-ওয়ার্ড এর উপর এসইও করা খুবই কষ্টের কাজ। এখন আপনাকে চাকরির খবর এর উপর এমন একটি কি-ওয়ার্ড (Keyword) নির্বাচন করতে হবে যার প্রতিযোগী কম এবং ভিজিটর বেশি। 

এই পদ্ধতি কে কি-ওয়ার্ড (Keyword) রিসার্স বলে। এখন যদি আপনি কোন ব্লগ তৈরি করেন তবে প্রথমে একটি ভালো কি-ওয়ার্ড (Keyword) বেছে নেওয়াটা ভালো হবে।

কি-ওয়ার্ড (Keyword) এর ব্যবহার: কি-ওয়ার্ড (Keyword) কি তা আমরা জেনে গেছি এখন এর ব্যবহার সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হলো…

ডুমেইন নাম (Domain Name) 

ডুমেইন নাম (Domain Name) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন বিষয়। আপনার ওয়েবসাইট এর নাম কি হবে তার উপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। 

ওয়েবসাইট এর নাম যদি কোন ভিজিটর মনে রাখতে না পারে তবে সেই ওয়েবসাইট এর নাম বা সেই ওয়েবসাইট তৈরি করার কোন প্রয়োজন নেই। 
এমন নাম দিতে হবে যাতে নামের সাথে ওয়েবসাইট এর বিষয় বস্তুর সাথে মিল থাকে। 

সার্চ ইঞ্জিন প্রথমে সার্চ করার সময় Domain URL সার্চ করে। এই জন্য ডুমেইন নাম এর প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে অনেক বেশি।

ওয়েবসাইট এর শিরোনাম 

ওয়েবসাইটের শিরোনাম ওয়েবসাইট এর সকল বিষয় বস্তু তুলে ধরে তাই সাইটের শিরোনাম অনেক গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়। 

সুতরাং এটি সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে না পারলে তবে ওয়েবসাইট এর কোন মূল্য থাকবে না। 

শিরোনাম দ্বারা ২টি বিষয়ে সুবিধা পাবেন একটি সার্চ ইঞ্জিন এ আপনার ওয়েবসাইট খুজে বের করা এবং ভিজিটর আসে যাতে আপনার সাইট এর ভালো উন্নতি পাওয়া যায়। সুতরাং কি-ওয়ার্ড (Keyword) এর জন্য ওয়েবসাইট শিরোনাম অনেক গুরুত্বপূর্ন।

আর্টিকেল লিখার নিয়ম

আর্টিকেল লেখার জন্য কি-ওয়ার্ড অনেক বড় ভুমিকা পালন করে থাকে। আর্টিকেল লেখার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে প্রতি পোষ্টে ১০০০ ওয়ার্ড বা অধিক, সর্বনিম্ন ২৫০ ওয়ার্ড লিখতে হবে। এতে করে আপনার আর্টিকেল টি অনেক উপকারে আসবে।

উপরের আলোচনা থেকে বুঝতে পাছেন যে কি-ওয়ার্ড কতটা উপকারে আসে। একটি সুন্দর কি-ওয়ার্ড দিতে পারে একটি সুন্দর ওয়েবসাইট । 

তাই এখনি তারাতারি আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য সুন্দর অধিক ভিজিটর পাওয়ার জন্য কি-ওয়ার্ড নির্বাচন করুন।

ব্যাকলিংক কি? এটি কি ভাবে করতে হয় ?


বর্তমান সময়ে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ব্যাক লিংক?

সবাই তার নিজের সাইটটিকে গুগল এর ০১ নম্বর এ দেখতে চায়। 

কিন্তু সেই অনুযায়ী কাজ করে না। তাই আসুন এসইও এর সবচেয়ে বড় বিষয় ব্যাক লিংক এর কথা জেনে নেওয়া যাক। 

ব্যাক লিংক হচ্ছে নিজের ওয়েবসাইট এর লিংক অন্য কোন ওয়েবসাইট এ যে কোন ভাবে উপস্থাপন করা এবং সেই লিংক যাতে কোন না কোন ভাবে ভিজিটর কে আকৃষ্ট করে সেটি সরাসরি হতে পারে আথবা অন্য কোন উপায়ে হতে পারে। 

যেমন আমি যদি কোন ওয়েবসাইট এ আমার মতামত প্রকাশ করি তবে তার সাথে আমি যদি আমার ওয়েবসাইট এর লিংক টি যুক্ত করে দেই তবে যদি সেই ওয়েবসাইটটির মালিক তা প্রকাশ করে তবে আমি আমার ওয়েবসাইট এর জন্য ব্যক লিংক পাবো। 

তবে সব ওয়েবসাইটে ব্যাক লিংক  কাজ করবেন না। কারন নিজের ওয়েবসাইট রিলেটেট ওয়েবসাইট মতো না হলে সাইটটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। 

তবে রিলেটেট ওয়েবসাইটে মতামত প্রকাশ করলে কোন সম্যস্যা হবে না এতে করে ভালো কোয়ালিটি সম্পন্ন ব্যাক লিংক পাবেন। 

ব্যাক লিংক দুই প্রকার হয়ে থাকে যথা-

১. ডো ফলো
২. নো ফলো

ডো ফলো ও নো ফলো একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত তাই দুটি সমান ভাবে জরুরী। তবে নো ফলো লিংক ডো ফলো ছাড়া তেমন কাজের না। 

কিন্তু আজ কাল ডো ফলো লিংক এর প্রতিযোগী বেশি তাই নো ফলো এই ক্ষেত্রে অনেক কাজে লাগে এর গুরুত্ব অনেক বেশি।


ব্লগ বা ওয়েবসাইটে Google Web Master Tool এ কিভাবে সংযুক্ত স্থাপন করবেন?

এসইও (SEO) এর জন্য Google Web master Tool একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 
কারন এটির মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট লিংক প্রবেশ করিয়ে সার্চ ইঞ্জিনের ১ম পাতায় নিয়ে আসতে সহায়তা করবে। 
তাই ওয়েবমাস্টার টুলস এ যে কোন ওয়েবসাইট কে খুব দ্রুত সংযুক্ত করতে হবে। 
আপনার ওয়েবসাইট টি যখন সংযুক্ত হবে তখন আপনার প্রথম কাজ হবে ওয়েবসাইট এর জন্য একটি সাইট ম্যাপ তৈরি করা। 
সাইট ম্যাপ ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ওয়েবমাস্টার টুলস। 
আপনার ওয়েবসাইটের আপডেট খবর গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে ভিজিটরদের কাছে পৌছাতে সাইট ম্যাপের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। 
আপনি যখন আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটের আপডেট প্রকাশ করবেন তখন সার্চ ইঞ্জিন সাথে সাথে সাইটম্যাপ এর মাধ্যমে আপনার আপডেট সংক্রান্ত তথ্য জানতে সহায়তা করবে।



Enable Custom robots txt যুক্ত করুন

এটা খুব প্রয়োজনীয় একটা কাজ SEO করার জন্য। তাহলে আর দেরি না করে নীচে থেকে দেখে নিন কিভাবে কাজ টি করতে হয়। 

User-agent:
Disallow: /search
Allow: /
Sitemap: https://www.eduandjobs.com/atom.xml?redirect=false&start-index=1&max-results=500 বা আরো বেশি দিতে পারেন, যদি আপনার সাইটে ২০০০ পোষ্ট থাকে বা অধিক থাকে তাই দিতে পারবেন।

যেমন- www.eduandjobs.com এর জাগায় আপনার ওয়েবসাইটের ঠিকানা দিন?

তার জন্য উপরোক্ত কোড টি কপি করুন।

এবার ব্লগারে গিয়ে বামপাশে থেকে Settings এ ক্লিক করে Custom Robots txt এ ক্লিক করুন তারপর উপরের কপি করা কোডটি সেখানে Paste করুন। 

এর পর তার নিচের Custom robots header tags সেটিং করুন।


Custom robot tags for home page

all, noodp on করে দিন।

Custom robot tags for archive and search pages

noindex, noodp on করে দিন।

Custom robot tags for posts and pages

all, noodp on করে দিন।

Meta Tag কি? কিভাবে ব্যবহার করবেন ? 

SEO জন্য Meta Tag অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। মেটা ট্যাগ হল এক ধরনের HTML কোড। যার মাধ্যমে  আপনার ব্লগ কি সম্পর্কে তা সার্চ ইঞ্জিন ও ভিজিটর জানতে পারে। 

মেটা ট্যাগে অনেক গুলা বিষয় জড়িত থাকে যেমনঃ- ব্লগের বিবরন, ব্লগের কি ওয়ার্ড, ব্লগের মালিকের তথ্য নাম, ঠিকানা ইত্যাদি।

Meta Tag এর গুরুত্ব

মেটা ট্যাগ এর সাহায্যে সার্চ ইঞ্জিন একি সাথে ভিজিটর আপনার ব্লগ সম্পর্কে জানতে পারে। আমাদের সকল ব্লগারদের একটাই চাওয়া-

বেশি বেশি ভিজিটর, কারন বেশি ভিজিটর মানে বেশি বেশি টাকা ইনকাম। আমরা সকলেই চাই সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর আসুক যেমন গুগল। 

আপনার ওয়েবসাইট কি সম্পর্কে এটা গুগলকে না জানালে গুগল কিভাবে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর পাঠাবে? 

সোশ্যাল মিডিয়ায় লিংক শেয়ার

সোশ্যাল  মিডিয়া হচ্ছে একটি দ্রুত গতির পদ্ধতি এটি সত্যি একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি । 

তাই আপনি যদি এই দিকে ইতিপূর্বে অগ্রসর না হয়ে থাকেন তবে এখনি ফেসবুক, টুইটার বা গুগল প্লাসে একাউন্ট তৈরি করুন। এর ফলে অনেক ভিজিটর পাওয়া যায়।

পরিশেষেঃ 

আমাদের এসিও বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে মন্তব্য করুন নিচে দেওয়া কমেন্ট বক্সে। পোষ্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

এসইও (SEO) কি ? এসইও করার উপায় [এখানে দেখুন] এসইও (SEO) কি ? এসইও করার উপায় [এখানে দেখুন] এসইও (SEO) কি ? এসইও করার উপায় [এখানে দেখুন] এসইও (SEO) কি ? এসইও করার উপায় [এখানে দেখুন] এসইও (SEO) কি ? এসইও করার উপায় [এখানে দেখুন]